শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১৯ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ
শাশুড়ীকে বাড়ি পৌছে দিতে যাবার পথে দুবৃর্ত্তদের হামলায় গুরুতর জখম হলেন বিএনপি নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী। ঢাকার নবাবগঞ্জের শোল্লা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শিমুল ও তার শাশুড়ী রমেলা বেগমের উপর এ হামলা হয়।
শনিবার সকাল ৮টায় শোল্লা ইউনিয়নের দুধঘাটা গ্রামের বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলে শাশুড়িকে নিয়ে বের হয় শিমুল। এসময় রাস্তায় উৎ পেতে থাকা দৃর্বৃত্তরা তাঁকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। শিমুল আগামী ইউপি নির্বাচনে শোল্লা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রচারণা করে আসছিলো।
স্থানয়ীরা জানায়, দক্ষিণ জামসা গাজী চেয়ারম্যানের বাড়ির মোড়ে আগে থেকেই ওৎ পেতে থাকা ৮/১০ জনের সন্ত্রাসী বাহিনী। মোটরসাইকেলটি মোড় পার হওয়ার সময় তিনদিক থেকে ঘিরে ফেলে সন্ত্রাসীরা। এরপর তাঁকে শিমুলকে এলাপাতারী কুপিয়ে ও লাঠিপেটা করে। পাশে থাকা শাশুড়ি চিৎকার করে জামাতাকে বাঁচাতে গেলে তাকেও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়।এসময় বৃদ্ধের বাম পায়ে কোপ লেগে জখম হয়।

জানা গেছে, দুধঘাটা-জামসা-সুকানিপাড়া মাদ্রাসা ও ঈদগাহর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে স্থানীয় আজিজ মাস্টার ও কাজী শহীদুল্লাহ গ্রুপের সঙ্গে বিএনপি নেতা শিমুলের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও সামাজিক দ্বন্দ্ব চলছিল।
গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় প্রশাসন ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে এক সালিশি বৈঠকে বিষয়টি ঈদুল আজহা পর্যন্ত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়। অভিযোগ রয়েছে, ওই বৈঠকেই কাজী শহীদুল্লাহ বিএনপি নেতা শিমুলকে ‘দেখে নেওয়ার’ প্রকাশ্য হুমকি দিয়েছিলেন। আজকের হামলা এর আজ এ ঘটনার শিকার হয় শিমুল।
গুরুতর আহত অবস্থায় শিমুল ও তার শাশুড়ীকে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম খন্দকার বলেন, একটি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের কমিটিকে কেন্দ্র করে এমন পাশবিকতা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
নবাবগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রেজাউল করিম খান বলেন, পুলিশ হাসপাতাল পরিদর্শন করে আহতদের জবানবন্দি নিয়েছে। “ঘটনাস্থল ও পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে দ্রুতই আসামিদের আইনের আওতায় আনা হবে।